চা পাতার ব্যবসার আইডিয়া লক্ষটাকা আয় করুন 2022 

 

চা পাতার ব্যবসার আইডিয়া

পাটের পর যে পন্যটি বাংলাদেশ রপ্তানি করে সবথেকে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে তাহলে চা। সোজা কথায় আমরা বলতে পারি যা হলো বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রধান অর্থকরী ফসল । এই শিল্প থেকে বাংলাদেশের জিডিপি এর প্রায় ১%  আসে।  তাই আজ আপনাদের সাথে চা পাতার ব্যবসার আইডিয়া নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো ,তাই মনোযোগ সহকারে সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন । আপনার চা পাতার ব্যবসা শুরু করতে অনেক সাহায্য করবে ।

 

চা পাতা ও চায়ের পরিচিতি

এটি একটি প্রাচীন পানীয়। এর প্রচলন প্রথম শুরু হয়েছিল চিনে আজ থেকে বহু বছর আগে। যেদিন এটি চীনের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে বহুল পরিচিত একটি পানীয়তে পরিণত হয়েছে। থেমে নেই আমাদের বাংলাদেশ।  প্রায় সকল বয়সের মানুষই চা সেবন করে থাকে, শিশু থেকে বৃদ্ধ, ছাত্র থেকে পেশাজীবী, বেকার থেকে কর্মজীবী কেউই এর বাহিরে নয়।

 

চা পাতার নামসমূহ

চা পাতার ব্যবসা করতে হলে আপনাকে অবশ্যই চা পাতা সম্পর্কে জানতে হবে। চায়ের পাতা সাধারণ পাতার মতো দেখতে হলেও এর কুড়ি থেকে তৈরি করা হয় বিভিন্ন ধরনের চা পাতা। 

এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু চা পাতার নাম হলো:

১/ ব্ল্যাক টি, ২/ গ্রিন টি, ৩/ হোয়াইট টি ইত্যাদি এছাড়াও বিভিন্ন ফ্লেভারের যোগ করে আরো কয়েক ধরনের চা বানানো হয়ে থাকে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো, লেবু চা, গুড়ের চা,‌ ঝাল চা ইত্যাদি। 

 

চা পাতার গ্রেড চেনার উপায়

উৎপাদন পদ্ধতির উপর ভিত্তি করে যাকে বিভিন্ন গ্রুপে ভাগ করা হয়। দৈনন্দিন জীবনে আমরা যে চা পান করি তাকে অর্থোডক্স সিটিসি ( ক্রাশ- টিয়ার- কার্ল)  পদ্ধতিতে ট্রেডিং করা হয়ে থাকে।  গ্রেডিং করা হয় মূলত চা পাতার আকার এর উপর ভিত্তি করে। চা পাতাটি সম্পূর্ণ অক্ষত হলে সেখান থেকে প্রাপ্ত সবথেকে দামি হয়। 

 

ভালো চা পাতা চেনার উপায়

চা পাতা চেনার উপায়সমূহ
চা পাতা চেনার উপায়সমূহ

 

ভালো মানের চা এর জন্য ভালো মানের চা পাতা অত্যন্ত আবশ্যকীয়। চা পাতার ব্যবসা করতে হলে আপনাকে অবশ্যই চায়ের মানের দিকে খেয়াল রাখতে হবে। ভালো মানের চা পাতার রং উজ্জ্বল হয়। 

সাধারণ অর্থ গাঢ় রঙের পাতা থেকে গাঢ় যা হয় এবং তুলনামূলকভাবে হালকা রঙের পাতা থেকে হালকা হয়। বলতে গেলে পাতার রং এর উপর চায়ের লিকার নির্ভর করে।

এছাড়া গন্ধ যাচাইয়ের মাধ্যমে চা পাতার মান চেনা যায়। এক্ষেত্রে যে পাতার গন্ধ যত করা সে পাতা থেকে তত ভাল মানের চা পাওয়া যায়। গন্ধ যাচাইয়ের জন্য চা পাতা হাতে নিয়ে, তালুতে রেখে ঘষে নাকে লাগাতে হবে। গন্ধ যত কড়া হবে বুঝে নিতে হবে চা পাতার মান ততো ভালো বা উৎকৃষ্ট।

 

চা পাতার সাইজ

চা পাতা একদম মোটা থেকে পাতলা পাউডারের মত হয়ে থাকে। এর পুরুত্ব নির্ভর করে এটি কোন গ্রেডের । তার উপর কোন অঞ্চলে উৎপন্ন হয়েছে তার উপর। 

চা পাতার কিছু গ্রেডের নাম নিচে দেয়া হলো

  • বিওপি-BOP
  • জিবিওপি- GBOP
  • ওএফ-OF
  • পিএফ-PF
  • পিডি-PD
  • আরডি-RD
  • ডাস্ট-DUST
  • সিডি/ডাস্ট-CD/DUST

 

চা পাতার মান

চা পাতার ব্যবসা এ নতুন হলে ভালো মানের চা পাতা পাওয়া কষ্টসাধ্য হয়ে যায়। এছাড়াও অনেকে অনলাইনে বেশি দামে বাজে মানের চা পাতা সাপ্লাই দিয়ে থাকে। ফলে ব্যবসা লস হতে পারে। 

যারা প্রথমবার চা পাতার ব্যবসা শুরু করতে যাচ্ছেন তারা অবশ্যই যার কাছ থেকে চা পাতা কিনবেন তার সবকিছু দেখে শুনে নিবেন। সম্ভব হলে তার প্রতিষ্ঠানে গিয়ে দেখে আসবেন। 

 

চা পাতার প্যাকেট

চা পাতার প্যাকেট দুই ধরনের হয়। একটি হলো ব্র্যান্ডের চা পাতার লেভেল লাগানো প্যাকেট এবং অপরটি খোলা চা পাতার পলিথিনের প্যাকেট । এতে কোন ব্র্যান্ডের নাম থাকেনা । 

একটি ব্যাপার মাথায় রাখবেন আপনি যার সাথে ব্যবসা করছেন আর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নামের সাথে চা পাতার প্যাকেটের গায়ে লেখা নামের মিল আছে কিনা , এটা যাচাই করে নিবেন। নামের মিল থাকলে বুঝে নেবেন তারা আসলেই ব্যবসায়ী।

 

আরো পড়ুন ,,

 

পাইকারি চা পাতা

পাইকারি চা পাতার ব্যবসা করুন
পাইকারি চা পাতার ব্যবসা করুন

 

বাংলাদেশের ৫০ পার্সেন্ট এর বেশি চা আসে সিলেট থেকেসিলেটকে বাংলাদেশের চায়ের রাজধানী  বা চায়ের হাব বলা হয়। সিলেটের বিভিন্ন জায়গায় চা উৎপাদিত হয় তবে সব থেকে বেশি হয় শ্রীমঙ্গলে। সিলেট এবং শ্রীমঙ্গল কে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে অসংখ্য টি হাউস। এখান থেকে সারা দেশে চা সরবরাহ করা হয়।

 

চা পাতার পাইকারি বাজার কোথায়

চা পাতার ব্যবসা শুরু করতে হলে আপনাকে অবশ্যই চা পাতার পাইকারি বাজার কোথায় জানতে হবে। এবং চা পাতার পাইকারি বাজার কোথায় তার ঠিকানা ও মোবাইল নাম্বার জানতে হবে। চা পাতার ব্যবসা সংক্রান্ত এই আর্টিকেলের কিছু পাইকারি বিক্রেতার নাম ও বাজারের ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার দিচ্ছি –

  • দোকানের নামঃ মেগা টি (Mega Tea);  ঠিকানাঃ ১১, আলী কমপ্লেক্স, মহাজন’ পতি রোড, সিলেট,৩১০০; মোবাইল নাম্বারঃ 01713392464
  • দোকানের নামঃ সোহান টি কোম্পানি (Suhan Tea Company);  ঠিকানাঃ করিমউদ্দিন মার্কেট, বন্দর বাজার পয়েন্ট, সিলেট, ৩১০০; মোবাইল নাম্বারঃ 01760877953
  • দোকানের নামঃ এম/এস ফাতেমা ট্রেডার্স ( M/S Fatema Traders);  ঠিকানাঃ ৯ দরগা গেট, সিলেট;  মোবাইল নাম্বারঃ 01739500104
  • দোকানের নামঃ মেসার্স হক টি এন্ড ট্রেডিং;  ঠিকানাঃ মহাজন’ পতি রোড, সিলেট ৩১০০;  মোবাইল নাম্বারঃ 01715543307
  • দোকানের নামঃ ন্যাশনাল টি কর্পোরেশন(National Tea Corporation);  ঠিকানাঃ ৩১০০, ৬১ দরগা গেট, সিলেট ৩১০০;  মোবাইল নাম্বারঃ 01711343370

 

চা পাতার পাইকারি বাজার চট্টগ্রাম এ কোথায় ?

বাংলাদেশের চট্টগ্রাম এমন একটি জায়গা যেখানে অসংখ্য বড় বড় চায়ের পাইকারি বাজার রয়েছে। যেখান থেকে আপনি খুব অল্প দামে ভালো মানের চা কিনতে পারবেন। চা পাতার পাইকারি বাজার চট্টগ্রাম এ আপনি প্রায় সব ধরনের চা পেয়ে যাবেন, এক কথায় এমন কোন চা নেই যা আপনি চা পাতার পাইকারি বাজার চট্টগ্রাম এ পাবেন না। 

আপনি দেখেশুনে ভালো মানের চা পাতা কিনে চা পাতার ব্যবসা শুরু করতে চাইলে আপনি তাদের গোডাউনে গিয়ে চা পাতা ক্রয় করতে পারেন। 

চা পাতার পাইকারি বাজার চট্টগ্রাম এর কিছু পাইকারি চা বিক্রেতার নাম ও বাজারের ঠিকানা এবং মোবাইল নাম্বার দিচ্ছি

  • দোকানের নামঃ এ. রাশেদ টি হাউস (A. Rashid Tea House);  ঠিকানাঃ ৪৭৫ নাম্বার কর্ণফুলী মার্কেট, চৌমুহনী, শেখ মসজিদ রোড, চট্টগ্রাম ৪১০০; মোবাইল নাম্বারঃ ০১৬৭০৩৪৩৮৫৮
  • দোকানের নামঃ নিউ বাংলাদেশ টি হাউস (New Bangladesh Tea House);  ঠিকানাঃ ২০৩ খাতুনগঞ্জ রোড, চট্টগ্রাম; মোবাইল নাম্বারঃ ০১৮৬৭৫১৯৩৮৫
  • দোকানের নামঃ কাজী টি এন্ড ট্রেডিং (Kazi Tea and Trading);  ঠিকানাঃ ২৬৮/১, গ্রাউন্ড ফ্লোর, তাসিন সেন্টার, খাতুনগঞ্জ রোড, কোতোয়ালি, চট্টগ্রাম ৪১০০; মোবাইল নাম্বারঃ ০১৮৭৮৯০১০৪৫
  • দোকানের নামঃ সাথী টি হাউস (Shathi Tea House);  ঠিকানাঃ কমার্স কলেজ গেট, চট্টগ্রাম ৪২১৭; মোবাইল নাম্বারঃ ০১৯০৫৭৮৬৪৫০
  • দোকানের নামঃ ক্লোন টি (Clone Tea);  ঠিকানাঃ ৩২৪, গ্রাউন্ড ফ্লোর, কর্ণফুলী মার্কেট, শেখ মসজিদ রোড, চৌমুহনী, চট্টগ্রাম ৪১০০; মোবাইল নাম্বারঃ ০১৭১২৬২৪০৪৯

 

চা পাতার ব্যবসা করতে যা যা প্রয়োজন

অন্যান্য ব্যবসার মতো চা পাতার ব্যবসা বাংলাদেশ সরকারের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বাংলাদেশের চা পাতার ব্যবসা করতে চাইলে আপনাকে অবশ্যই সরকারি নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। 

এবং ব্যবসার জন্য লাইসেন্স সংগ্রহ করতে হবে। এ লাইসেন্সটি বাংলাদেশ চা বোর্ড এ করতে হবে। এছাড়াও চা পাতার ব্যবসা করতে যা যা প্রয়োজন তা এই পোস্টে আলোচনা করা হলো। 

 

চা পাতার ব্যবসা এর লাইসেন্স

বাংলাদেশের চা পাতার ব্যবসা করতে হলে আপনাকে অবশ্যই বাংলাদেশ চা বোর্ড থেকে লাইসেন্স সংগ্রহ করতে হবে। এবং প্রতি বছর এটিকে রিনিউ করতে হবে। লাইসেন্স চেক করতে যেসকল কাগজপত্র প্রয়োজন হবে তা নিম্নে আলোচনা করা হলো –

  • ট্রেড লাইসেন্স
  • জাতীয় পরিচয় পত্র 
  • পাসপোর্ট সাইজের ছবি
  • আপনার দোকানের ঠিকানা
  •  আপনার  গোডাউনের ঠিকানা
  •  আপনার ইমেইল এড্রেস
  •  আপনার ফোন নাম্বার
  •  আপনার স্বাক্ষর
  •  ২৫০০/- টাকা

এই কাগজপত্র গুলো হলেই আপনি চা পাতার ব্যবসা শুরু করতে পারবেন। তবে আপনি যদি হোলসেল পাইকারি ব্যবসা করতে চান তবে আরও কিছু অতিরিক্ত কাগজের প্রয়োজন হবে।

 

১ কেজি চা পাতার দাম কত

আপনি যদি চা পাতার ব্যবসা করতে চান তবে আপনাকে অবশ্যই চা পাতার দাম সম্পর্কে ভালো জ্ঞান রাখতে হবে। এখানে আমি চা পাতার দাম ১ কেজি পরিমাণ চা পাতা কে বুঝিয়েছি। 

গ্রেড এর উপর ভিত্তি করে এক কেজি চা পাতার দাম ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। আমরা আগেই আলোচনা করেছি গ্রেড নির্ভর করে চায়ের পাতার আকার এর উপর। আর এই গ্রেড এর ওপর নির্ভর করে চা পাতার দাম।

এক কথায় বলতে গেলে বাংলাদেশ ১ কেজি চা পাতার দাম ( খুচরা দাম) ২০০ টাকা থেকে শুরু করে .২০০ টাকা অব্ধি হয়ে থাকে। 

 

চা পাতার পাইকারি দাম ২০২২

আপনি যদি চা পাতার ব্যবসা করতে চান তবে আপনাকে অবশ্যই চা পাতা কিনতে হবে এবং যে দামে কিনেছেন তার সাথে নিজের প্রফিট যুক্ত করে বিক্রি করবেন।  

এখানে আপনি যে দামে কিনছেন সেটাকে ব্যাবসায়ীর দাম বা পাইকারী দাম বলে। আর যে দামে বিক্রি করছেন সেটাকে ক্রেতার দাম বা খুচরা দাম বলে। 

বিভিন্ন প্রকার শুল্ক যুক্ত হয়ে প্রতিবছর এই দাম উঠ-নামা করে। ২০২২ সালে চা পাতার পাইকারি দামের একটি খশড়া তালিকা জেনে নেয়া যাক! 

চা পাতার ব্যবসা শুরু করতে বা চা পাতা পাইকারি কিনতে গেলে আপনাকে অবশ্যই কম পক্ষে ৫০ কেজি চা পাতা কিনতে হবে। অথবা ডিলার হতে চাইলে ডিলার হওয়ার জন্য কম্পানির নির্ধারিত নিয়ম মেনে চলতে হয় ।

ডিলার হওয়ার একটি সুবিধা হল, এখানে আপনাকে প্রতিবার টাকা দিয়ে চা পাতা ক্রয় করে আনতে হবে না। প্রথমবার আপনাকে একটি অংকের টাকা জামানত হিসেবে জমা দিতে হবে। এই জামানতের বিনিময় আপনি মূলত একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের ডিলারশিপ একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কিনে নিলেন। 

সে অঞ্চলে আপনি ব্যতীত অন্য কেউ সে কোম্পানির পণ্যের ডিলার সাপ্লায়ার ব্যবসা করতে পারবে না। এবং আপনাকে টাকা ছাড়াই পণ্য দিতে বা সরবরাহ করতে উক্ত কোম্পানি বাধ্য থাকবে। 

ফলে আপনাকে প্রতিবার টাকা দিয়ে কিনে আনতে হবে না। চা পাতা বিক্রয়ের পর প্রাপ্ত অর্থ থেকে নিজের অংশের বা  লভাংশ রেখে বাকি টাকা কোম্পানিকে শোধ করে দিতে হবে। এভাবেই পাইকারি ব্যবসা ডিলারশিপ ব্যবসা  চলে থাকে। 

 

বাংলাদেশের জনপ্রিয় কিছু চা কোম্পানি

চা শিল্প বাংলাদেশের নতুন কিছু নয়। পাটের মত অনেক প্রাচীনকাল থেকেই বাংলাদেশের প্রচলিত। এই শিল্পে ছোটখাটো লোকাল অনেক উদ্যোক্তা থাকলেও সম্পূর্ণ বাজারে আধিপত্য রয়েছে মুষ্টিমেয় কিছু কোম্পানির। 

যারা বাজারের পা থেকে মাথা অব্দি খুঁটিনাটি সকল বিষয় নিয়ন্ত্রণ করে। এসব প্রতিষ্ঠানের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কিছু প্রতিষ্ঠান নাম হল –

উপরে উল্লেখিত কম্পানিগুলো সিলেট ও চট্টগ্রাম থেকে চা সংগ্রহ করে এবং গ্রেডিং করে সে গুলোকে বাজারজাত করে। 

কিছু কোম্পানি আছে যারা বাংলাদেশে উৎপাদিত তাছাড়াও বাহির থেকে চা আমদানি করে বাংলাদেশ চা পাতার ব্যবসা পরিচালনা করে থাকে। 

 

পরিশেষে

পরিশেষে বলা যায় চা পাতার ব্যবসা বাংলাদেশের অন্যতম লাভজনক একটি ব্যবসা। এই ব্যবসার রয়েছে বাংলাদেশ অপার সম্ভাবনা। আন্তর্জাতিক বাজার বিবেচনা করলে দেশের মোট আয়ের একটা বড় অংশ এই চা থেকে আসে । 

 

তাই বলাই যায় চা পাতার ব্যবসা শুরু করলে আপনি একই সাথে দেশি ও বিদেশী গ্রাহকের সংস্পর্শে আসতে পারবেন এবং তাদের সাথে ব্যবসায়িক সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারবেন। 

Leave a Comment