15টি সেরা নতুন ব্যবসার আইডিয়া ২০২২ – best new business

আসসালামুআলাইকুম বন্ধুরা আজকে আপনাদের সাথে কোন একটি লাভজনক নতুন ব্যবসার আইডিয়া নিয়ে হাজির হলাম ।  আজকের আর্টিকেলে যে নতুন বিজনেস আইডিয়াগুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে তার মধ্যে প্রায় সবগুলো ব্যবসায় অত্যন্ত লাভজনক ব্যবসা হিসেবে ইতিমধ্যে পরীক্ষিত ।

 

ইতিমধ্যে বাংলাদেশের অনেক উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীরা এই ব্যবসাগুলো করে নিজেদের ও নিজেদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে সফল ব্যবসা হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছেন ।

 

বাংলাদেশে প্রতিনিয়ত যে হারে জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে ঠিক তার বিপরীতে এত বিশাল জনসংখ্যাকে চাকরি দেওয়ার মতো সামর্থ্য এখনও বাংলাদেশের তৈরি হয়নি । তাই আমাদের সবার উচিত নিজেদের উদ্যোক্তা হিসেবে গড়ে তোলা এবং উদ্যোক্তা মন-মানসিকতা নিজেদের মধ্যে তৈরি করা ।

 

কারণ এই সমস্যাটি সমাধান করার একটি উপায় হচ্ছে নতুন নতুন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সৃষ্টির মাধ্যমে কর্মসংস্থান তৈরি করা । তাহলেই  বাংলাদেশের এই বিশাল জনসংখ্যা দেশের জন্য বোঝা না হয়ে জনসম্পদে পরিণত হবে ।

 

তাই আমরা আমাদের মোহনা ডটকম ( mhona.com ) এই ওয়েবসাইটে প্রতিনিয়ত নানান ধরনের ব্যবসা-বাণিজ্য নিয়ে আর্টিকেল প্রকাশ করে  থাকি ।  আমরা আমাদের পক্ষ থেকে ক্ষুদ্র চেষ্টা করে যাচ্ছি বাংলাদেশের তরুণ-তরুণীদের মাঝে উদ্যোক্তা মন মানসিকতার বীজ রোপন করে দেওয়ার ।

 

আজকের আর্টিকেলে নতুন ব্যবসার আইডিয়াগুলো আপনাদের সাথে শেয়ার করা হলো তার সবকটি পরীক্ষিত লাভজনক ব্যবসা । তবে একটি ব্যবসা যতই লাভজনক ও নিরাপদ হয়ে থাকুক না কেন ব্যবসায়টিকে একটি সফল ব্যবসায় পরিণত করতে হলে উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীকে ধৈর্য ও সৃজনশীলতা দক্ষতার প্রমাণ দিতে হবে ।

 

তবেই আপনি যেকোন ছোট থেকে বড় ব্যবসায় অনায়াসে সফলতা অর্জন করতে পারবেন ।  আমাদের আজকের এই আর্টিকেলের আমরা এমন কিছু নতুন ব্যবসার আইডিয়া শেয়ার করেছি যা চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী ও ছাত্রছাত্রীরা তাদের পড়াশোনা ও চাকরির পাশাপাশি পার্ট টাইম হিসেবেও  এই ব্যবসাগুলো করতে পারবে ।

 

তাহলে বন্ধুরা চলুন আজকের লাভজনক ১৫ টি নতুন ব্যবসার আইডিয়াগুলো দেখে নেওয়া যাক ।

 

১/ ব্লগিং ব্যবসা

অনলাইন থেকে অর্থ উপার্জন করার হাজার হাজার উপায় বর্তমানে রয়েছে ।   যেমন :  আফিলিয়েট মারকেটিং, ওয়েব ডিজাইন, ডিজিটাল মার্কেটিং, গ্রাফিক ডিজাইন, ভিডিও এডিটিং, ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট, ডাটা এন্ট্রি অপারেটর,  সোশ্যাল মিডিয়া ম্যানেজার ইত্যাদি উপায় বর্তমানে অনলাইন থেকে অর্থ উপার্জন করা যায় ।

 

অনলাইন থেকে অর্থ উপার্জন করার ঠিক তেমনই অন্যতম আরো একটি জনপ্রিয় কাজ হচ্ছে  ব্লগিং করে অনলাইন থেকে অর্থ উপার্জন করা ।  

 

একটি  ইন্টারনেট কানেকশনযুক্ত কম্পিউটার ও ওয়েবসাইট এর সাহায্যে আপনি ঘরে বসে লেখালেখি করার মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন ।

 

এবং এই কাজটি বর্তমানে লক্ষ লক্ষ মানুষ করছে এবং এই কাজ করে তারা নিজেদেরকে স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলেছেন ।  ব্লগিং ব্যবসা অত্যন্ত সম্মানজনক ও লাভজনক ব্যবসা ।  এটি একটি নতুন ব্যবসার আইডিয়া । এই ব্যবসাটি গত ৫ – ১০ বছরের মধ্যে দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে ।

 

ইন্টারনেটে আমরা যেকোনো তথ্য যখন সার্চ করে থাকি তখন মূলত  আমাদের বিভিন্ন ওয়েবসাইটের তথ্যগুলো সার্চ ইঞ্জিন আমাদের সামনে প্রদর্শন করায় ।  এবং এই তথ্যগুলো বিভিন্ন  ব্লগাররা তাদের ওয়েবসাইটে পাবলিশ করে রেখেছে ।

 

ঠিক আপনিও একই পদ্ধতি অনুসরণ করে একটি ওয়েবসাইটে আপনার পছন্দনীয় বিষয় নিয়ে লেখালেখি করতে পারেন । এবং পরবর্তীতে ওয়েবসাইটটিকে বিভিন্ন বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্ক এর মাধ্যমে মনিটাইজেশন করে ওয়েবসাইটে বিভিন্ন বিজ্ঞাপন দেখাতে পারেন ।

 

ওয়েবসাইটে যত ভিজিটর বৃদ্ধি পাবে দিন দিন আপনার ইনকামের পরিমাণ বাড়তে থাকবে ।  এছাড়াও একটি ব্লগিং ওয়েবসাইট এর মাধ্যমে আপনি আরও নানা উপায় অবলম্বন করে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন ।

 

যেমন :  আফিলিয়েট মারকেটিং, স্পনসর, প্রোডাক্ট বিক্রি , ব্র্যান্ড প্রমোশন ইত্যাদি উপায় অবলম্বন করেন আপনি অধিক অর্থ উপার্জন করতে পারবেন ।

 

এই ব্যবসাটি বিশেষ করে ছাত্র-ছাত্রী ও মেয়েদের জন্য দারুন একটি সহায়ক ব্যবসা হবে তা নিঃসন্দেহে বলা যায় । এর কারণ হচ্ছে এটি আপনি পৃথিবীর যে কোন প্রান্ত থেকে যেকোনো সময় ব্যবসাটি পরিচালনা করতে পারবেন ।

 

তাই ছাত্রছাত্রীরা তাদের পড়াশোনার পাশাপাশি পার্টটাইম হিসেবেও  ব্লগিং করে অর্থ উপার্জন করতে পারবে।

 

২/ রিয়েল এস্টেট ক্রাউডফান্ডিং বিজনেস

 

রিয়েল এস্টেট ক্রাউডফান্ডিং বিজনেসও বর্তমানে একটি নতুন ব্যবসার আইডিয়া যা একটি  ট্রেন্ডিং ব্যবসা হিসেবে বর্তমানে পরিচিত । অনেকগুলো মানুষের কাছ থেকে ফান্ড সংগ্রহ করে  জায়গা , ফ্ল্যাট বা বাড়ি ক্রয় করা এবং পরবর্তীতে তা অধিক মূল্যে বিক্রি করে অর্থগুলো নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেওয়াকেই রিয়েল এস্টেট ক্রাউডফান্ডিং বিজনেস বলা হয় ।

 

তবে এই ধরনের ব্যবসা শুরু করার ক্ষেত্রে পার্সোনাল ব্র্যান্ডিং খুবই কাজে আসে ।  অর্থাৎ সততা রক্ষা করে এই ধরনের ব্যবসা করতে পারলেই তবেই ব্যবসার সফলতা অর্জন করা সম্ভব । 

 

যিনি মানুষের কাছ থেকে অর্থ ফান্ড করে একত্র করবেন তিনি যদি মানুষের বিশ্বাস ভঙ্গ করে সেক্ষেত্রে এই ব্যবসায় আর সামনে এগোনো যাবেনা  । 

 

এই ধরনের রিয়েল এস্টেট ক্রাউডফান্ডিং ব্যবসা পরিচালনা করার জন্য আর্থিক বিষয়ে প্রচুর অভিজ্ঞতা রয়েছে এমন লোকবল প্রতিষ্ঠানে নিয়োগ দিতে হবে । এর কারণ হচ্ছে সঠিকভাবে যদি বিশ্লেষণ না করে অন্ধকারে ঢিল মেরে বিনিয়োগ করে ফেলে সেক্ষেত্রে ব্যবসায় লোকসান হয়ে যাবে ।

 

তাই অধিক মুনাফা ও সঠিকভাবে ক্রাউডফান্ডিং ম্যানেজ করার আর্থিক অভিজ্ঞতা রয়েছে এমন লোকবল নিয়োগ দেয়ার চেষ্টা করতে হবে । এই ব্যবসাটিও একটি নতুন ব্যবসার আইডিয়া হিসেবে বর্তমানে গড়ে উঠেছে ।

 

৩/ ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ব্যবসা

 

ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ব্যবসা অত্যন্ত সৃজনশীল একটি ব্যবসার আইডিয়া । এটি একটি নতুন ব্যবসার  আইডিয়া হলেও ব্যবসাটি অত্যন্ত সৃজনশীল মানুষের জন্য উপযুক্ত একটি ব্যবসা ।  

 

বারবার সৃজনশীল মানুষের বা সৃজনশীল ব্যবসার কথা বলার কারণ হচ্ছে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ব্যবসায় প্রতিনিয়ত নতুনত্ব নিয়ে আসতে হয় । আপনার প্রতিটি ইভেন্টে পরিকল্পনার মাধ্যমে বিভিন্ন নতুনত্ব আইডিয়া নিয়ে আসতে হবে ।  

 

সঠিক উপায়ে পরিকল্পনা করতে না পারলে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ব্যবসায় সফলতা পাওয়া কষ্টকর ।

 

ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ব্যবসাটি বিশেষ করে ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্ট এর ছাত্র ছাত্রীদের জন্য উপযুক্ত একটি ব্যবসার আইডিয়া । এর কারণ হচ্ছে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ব্যবসায় আমরা ব্যবস্থাপনা চক্র পরিকল্পনা থেকে শুরু করে, সংগঠিতকরণ, কর্মীসংস্থান, নির্দেশনা, প্রেষণা, সমন্বয় ও নিয়ন্ত্রণ এর কার্যক্রম লক্ষ্য করে থাকি ।

 

যা  সম্পর্কে একজন ম্যানেজমেন্ট ডিপার্টমেন্ট ছাত্রের ভালো ধারণা থাকবে তা আশা করা যায় ।  এছাড়াও ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ব্যবসায় যোগাযোগ দক্ষতার ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল ।  

 

এর কারণ ইভেন্ট মানেজমেন্ট ব্যবসায় একটি ইভেন্ট সম্পন্ন করতে অনেক মানুষের সাথে যোগাযোগ করার প্রয়োজন পড়ে । 

 

তাই আপনি যদি ভালোভাবে গুছিয়ে কথা বলা ও একটি টিম ম্যানেজ করার দক্ষতা অর্জন করতে না পারেন সে ক্ষেত্রে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ব্যবসায় বেশি দূর যাওয়া কষ্টকর ।

 

তবে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ব্যবসায় সৃজনশীল ও ধৈর্যশীল উদ্যোক্তাদের জন্য দারুন একটি ব্যবসা ।  তারা এই ব্যবসাটি করে দারুন আনন্দ পেয়ে থাকবে । 

 

ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ব্যবসা করার জন্য আপনার প্রতিষ্ঠানে উদ্যমী এবং স্মার্ট কর্মীদেরকে নিয়োগ করতে হবে । যারা আপনার কাজে সবসময় সব ধরনের সাহায্য সহযোগিতা উদারতা ও আন্তরিকতার সহিত করে যাবে ।

 

৪/ অনলােইন কনসালটেন্সি ব্যবসা

 

কনসালটেন্সি ( Consultancy ) এটি একটি ইংরেজী শব্দ এর বাংলা প্রতিশব্দ হচ্ছে পরামর্শকারী ।  এবং এই পরামর্শ প্রদান করে ও আপনি একটি কনসালটেন্সি ( Consultancy  ব্যবসা গড়ে তুলতে পারবেন ।  বর্তমানে অনলাইনে এই ধরনের কনসালটেন্সি ব্যবসা প্রচুর লক্ষ করা যায় ।

 

আমাদের চারপাশে প্রতিনিয়ত অনেক নতুন নতুন স্টার্টআপ বিজনেস ও উদ্যোক্তা তৈরি হচ্ছে ।  তারা একটি নতুন ব্যবসা শুরু করতে চায় কিন্তু কিভাবে ব্যবসাটি সঠিক উপায় অবলম্বন করে শুরু করা যায় তা সম্পর্কে অবগত নয় । 

 

যার ফলে তারা বিভিন্ন কনসালটেন্সি ( Consultancy )  ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের দ্বারস্থ হয়ে থাকে ।  ঠিক  এই আইডিয়াটি কাজে লাগিয়ে আপনিও একটি কনসালটেন্সি  ব্যবসা শুরু করে দিতে পারেন ।

 

আপনি হয়তো ভাবছেন আমি কি নিয়ে পরামর্শ দিব ? আমি যদি আপনাকে প্রশ্ন করি মানুষ কখন অন্যকে পরামর্শ দেয় ? তখন সে সেই প্রশ্নের উত্তর হতে পারে যখন সেই বিষয়ে মানুষ পারদর্শী ও কিছু জ্ঞান রাখে ।

 

আমাদের মধ্যে প্রত্যেকটি মানুষই কোন না কোন দিক থেকে দক্ষ হয়ে থাকে । আমাদের সবার মধ্যেই কোন না কোন ধরনের প্রতিভা রয়েছে ।  যেমন : কেউ সাহিত্যে দক্ষ, কেউ রান্নায়, আবার কেউ হিসাব শাস্ত্রে, অনেকে প্রযুক্তিতে, আবার অনেকে বিভিন্ন হাতের কাজে দক্ষ হয়ে থাকে ।

 

তাই আপনি যে বিষয় দক্ষ হয়ে থাকেন সে বিষয়ে একটি কনসালটেন্সি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান শুরু করে দিতে পারেন ।

 

আপনি যে বিষয় নিজেকে দক্ষ মনে করেন সে বিষয়ে সম্পর্কে প্রতিনিয়ত বিভিন্ন সামাজিক ও ব্লগ ওয়েবসাইটগুলোতে লেখালিখি করার চেষ্টা করুন । তাহলেই আপনি আপনার দক্ষতার পরিমাপ করতে পারবেন । 

 

একটা সময় আপনার কাজ ও লেখালেখি এর মাধ্যমে মানুষ অনুপ্রাণিত হয়ে আপনার কাছে পরামর্শের জন্য দ্বারস্থ হতে থাকবে ।  তখন আপনি বুঝতে পারবেন আপনি সে বিষয়ে যথেষ্ট দক্ষতা অর্জন করেছেন ।  

 

ঠিক তখনই আপনি একটি কনসালটেন্সি ব্যবসা শুরু করে দিতে পারেন । কনসালটেন্সি ব্যবসাটি একটি নতুন ব্যবসার আইডিয়া হিসেবে বর্তমানে গড়ে উঠেছে । ইন্টারন্যাশনাল ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসগুলোতে এই কনসালটেন্সি সার্ভিস দিয়েও অনেকে অর্থ উপার্জন করছে ।

 

৫/ কনটেন্ট রাইটিং বিজনেস

 

আজকের আর্টিকেলে একদম শুরুতে একটি নতুন ব্যবসার আইডিয়া আপনাদের সাথে শেয়ার করা হয়েছিল সেটি ছিল ব্লগিং ব্যবসা ।  ব্লগিং ব্যবসার একদম কাছাকাছি আরো একটি ব্যবসা হচ্ছে কনটেন্ট রাইটিং এর ব্যবসা । 

 

আপনি যদি একজন লেখক বা লেখালেখি করতে পছন্দ করে থাকেন সেক্ষেত্রে আপনার জন্য কনটেন্ট রাইটিং বিজনেস একটি পারফেক্ট ব্যবসা হবে ।  

 

আপনি বিভিন্ন ধরনের ব্লগ ওয়েবসাইট ও নিউজ ওয়েবসাইটগুলোতে আপনার লেখা পাবলিশ করতে পারেন এবং বিপরীতে অর্থ চার্জ করতে পারেন ।

 

এছাড়াও ইন্টারন্যাশনাল ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং মার্কেটপ্লেসগুলোতে কনটেন্ট রাইটারদের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে ।  ইন্টারনেটে লক্ষ লক্ষ ওয়েবসাইট রয়েছে এবং এই ওয়েবসাইটগুলোর জন্য প্রতিনিয়ত শত শত কনটেন্ট এর প্রয়োজন । 

 

আর এই কনটেন্টগুলোর যোগান দিয়ে থাকে কনটেন্ট রাইটাররা । তাই বর্তমানে কনটেন্ট রাইটারদের যেমন চাহিদা রয়েছে তেমন তাদের মূল্যও রয়েছে । 

 

ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসগুলোতে আপনি ঘুরে আসলে দেখতে পাবেন একটি ১০০০ শব্দের ইংরেজি আর্টিকেল লিখে দেওয়ার বিপরীতে কনটেন্ট রাইটার ১০০ থেকে ৫০০ ডলার পর্যন্ত ডিমান্ড করে থাকে ।

 

তাই সফলভাবে একটি কনটেন্ট রাইটিং বিজনেস গড়ে তুলতে পারলে দ্রুতই নিজেকে স্বাবলম্বী হিসেবে গড়ে তোলা যাবে । 

 

আপনি কয়েকজন ভালো রাইটারকে সংগ্রহ করে ক্লায়েন্ট থেকে কাজ নিয়ে তাদের দ্বারা কাজ করে নিতে পারেন । এই ধরনের কাজ করিয়ে নেওয়াকে বলা হয় ড্রপ সার্ভিসিং ।

 

সহজ বাংলা ভাষায় যদি বলি তাহলে বলা যায় দালাল ব্যবসা ।  শুনতে হাস্যকর হলেও এই দালাল ব্যবসা এখন অনলাইনেও স্থান করে নিয়েছে ।  

 

তবে এই ব্যবসাটি ইউনিক একটি ব্যবসা । এখানে আপনি বিভিন্ন ফ্রীল্যান্স মার্কেটপ্লেসগুলো থেকে কাজ নিয়ে তা কম মূল্যে  দক্ষ রাইটারদের মাধ্যমে আর্টিকেল লিখে  তা ক্লাইন্টকে ডেলিভারি দিতে পারেন ।

 

সৃজনশীলতা ও একটি টিম ম্যানেজ করার দক্ষতা যদি আপনার মধ্যে থাকে তাহলে দ্রুত এই ব্যবসা করে সফল হতে পারবেন ।

 

৬/ ইউটিউব চ্যানেল দিয়ে ব্যবসা

 

ইউটিউব চ্যানেল এর মাধ্যমে ব্যবসা শুরু করাও একটি নতুন ব্যবসার আইডিয়া ।  বর্তমানে বাংলাদেশের বিশাল সংখ্যক তরুণ-তরুণী এই ইউটিউব চ্যানেল এর মাধ্যমে অর্থ উপার্জন করে নিজেদের স্বাবলম্বী করে তুলছে ।

 

ইউটিউব বর্তমান ইন্টারনেট বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম একটি ওয়েবসাইট ।  এটি বাংলাদেশের বংশদ্রুত তরুণ উদ্যোক্তা জায়েদ করিম ২০০৫ সালের ১৪ই ফেব্রুয়ারি ইউটিউব ভিডিও প্লাটফর্মটি তৈরি করেন । পরবর্তীতে তিনি গুগলের কাছে এটি বিক্রি করে দেন ।

 

বর্তমানে প্রতিমাসে ইউটিউবে প্রায় ৩২ বিলিয়ন পেজ ভিউজ হয়ে থাকে । তাহলে ধারণা করতে পারছেন কি বিশাল সংখ্যক মানুষ এই ইউটিউব ব্যবহার করছে । তাই আপনি এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে একটি ব্যবসা গড়ে তুলতে পারেন ।

 

ইউটিউবে একটি ফ্রিতে চ্যানেল খুলে নানান ধরনের বিনোদন ও শিক্ষণীয় বিষয় নিয়ে ভিডিও তৈরি করতে পারেন । এবং পরবর্তীতে আপনার ইউটিউব চ্যানেলে বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞাপন দেখিয়ে অর্থ উপার্জন করতে পারেন ।  

 

বিজ্ঞাপন দেখানোর পাশাপাশি আপনি অ্যাফিলিয়েট, স্পন্সর, ব্র্যান্ড প্রমোশন, ও প্রোডাক্ট বিক্রি করে অতিরিক্ত অর্থ উপার্জন করতে পারবেন ।

 

বর্তমানে নতুন ব্যবসার আইডিয়া হিসেবে ইউটিউব অত্যন্ত লাভজনক একটি ব্যবসা হয়ে উঠেছে ।

 

৭/ মাস্ক তৈরীর ব্যবসা

 

বর্তমানে বিভিন্ন রোগ বালাই এর পাশাপাশি করোনা মহামারী এর কারণে মাস্ক এর প্রচুর চাহিদা আমরা লক্ষ্য করছি ।  করোনা মহামারীর ছাড়াও  যানবাহনের ধোয়া, শিল্প-কারখানা ধুলাবালি ইত্যাদি কারণে পরিবেশ দিন দিন নোংরা হয়ে উঠছে । 

 

তাই মাস্ক মানুষের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রোডাক্ট হয়ে উঠেছে ।  যার ফলে বর্তমানে এর প্রচুর চাহিদা তৈরি হয়েছে । তাই আপনি এই চাহিদাকে লক্ষ্য করে একটি মাস্ক তৈরি নতুন ব্যবসা গড়ে তুলতে পারেন ।

 

খুবই অল্প পুজিতে এই ধরনের মাস্ক তৈরীর ব্যবসা আপনি গড়ে তুলতে পারবেন ।  কিভাবে একটি  মাস্ক তৈরীর ব্যবসা শুরু করা যায় তা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এই ভিডিওটি দেখুন

 

৮/ জিমনেশিয়ামের ব্যবসা

 

ব্যায়ামাগার বা জিমনেশিয়ামের ( gymnasium ) ব্যবসা বর্তমানে অত্যন্ত লাভজনক ও একটি নতুন ব্যবসার আইডিয়া । বর্তমানে তরুণ-তরুণীরা শরীর-স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন । তাই নিয়মিত শরীর-স্বাস্থ্য ঠিক রাখতে তরুণ-তরুণীদের থেকে শুরু করে মধ্য বয়সের মানুষেরাও এখন ব্যায়ামাগার বা জিমনেশিয়াম গুলোতে যাচ্ছে ।

 

তাই আপনি যোগাযোগের সুযোগ-সুবিধা রয়েছে এমন স্থানে অথবা যেখানে লোকসমাগম রয়েছে প্রচুর তেমন স্থানে এই ধরনের ব্যবসা শুরু করতে পারেন ।

 

এছাড়াও মহিলাদের জন্য আলাদা করে জিমনেশিয়াম বা ব্যায়ামাগারের ব্যবস্থাও করা যেতে পারে ।  বাসায় বসে থেকে থেকে মহিলাদের শরীরে এনার্জি দিন দিন ক্ষয় হয়ে যাচ্ছে । যার ফলে শরীরে বিভিন্ন ধরনের রোগের লক্ষণ দেখা দিচ্ছে । তাই ডাক্তারেরা পরামর্শ দিয়ে থাকে নিয়মিত ব্যায়াম করার জন্য ।

 

তাই যদি মহিলাদের জন্য আলাদা করে ব্যায়ামাগার বা জিমনেসিয়াম এর ব্যবস্থা করা যায় তাহলে এই নতুন ব্যবসার আইডিয়াটিকে কাজে লাগিয়েও একটি লাভজনক ব্যবসা গড়ে তোলা যাবে ।

 

৯/ ক্যাফে – কফি শপের ব্যবসা

 

ক্যাফে বা কফি ( Coffee ) শপের ব্যবসা ও অত্যন্ত লাভজনক একটি ব্যবসা বর্তমানে ।  জনসমাগম রয়েছে অথবা পর্যটক এরিয়ায় আপনি যদি একটি কফি শপের দোকান দিতে পারেন সেক্ষেত্রে  খুবই লাভবান হতে পারবেন । 

 

এক্ষেত্রে  ক্যাফের – কফি শপের  ইন্টেরিয়র ডিজাইনের দিকে আলাদাভাবে নজর দিতে হবে ।  আকর্ষণীয়ভাবে ইন্টেরিয়র ডিজাইন করতে পারলে ক্রেতার অভাব হবে না ।  

 

এছাড়াও কফির পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের গিফট আইটেমও বিক্রি করতে পারেন ।

 

কফিশপে বইয়ের ব্যবস্থাও রাখতে পারেন তাহলে ক্রেতারা কফি পান করার পাশাপাশি বসে বই পড়ে সময় কাটাতে পারবে ।  এবং এতে আপনার বিক্রি ও বৃদ্ধি পাবে ।

 

১০/ অনলাইনে কোর্স বিক্রি

 

উপরেই বলেছিলাম অনলাইন মাধ্যমটিকে ব্যবহার করে হাজার হাজার উপায়ে অর্থ উপার্জন করা যায়। ঠিক তেমনি আপনি যদি কোন কাজে বিশেষ করে দক্ষ হয়ে থাকেন তাহলে সেই দক্ষতাটাকে  কাজে লাগিয়ে আপনি অতিরিক্ত অর্থ উপার্জন করতে পারবেন । 

 

বিশেষ করে আপনি যদি ইংরেজি ও কম্পিউটার বিষয়ে দক্ষ হয়ে থাকেন তাহলে বিভিন্ন ভিডিও কোর্স তৈরি করে তা অনলাইনে বিক্রি করতে পারেন ।  

 

বর্তমানে জ্যামের এই শহরে একটি ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠানে গিয়ে কোর্স করার সময় মানুষের কাছে নেই ।  

 

তাই আপনি যদি মানসম্মত ভিডিও কোর্স তৈরি করতে পারেন তাহলে মানুষ অনলাইনে আপনার কোর্স ক্রয় করবে । এবং মানুষ যে অনলাইনে কোর্স করতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে তা ইতিমধ্যে প্রমাণিত হয়েছে । তার  কয়েকটি সফল উদাহরণ হচ্ছে : ইউডেমি ও স্ক্রিলশেয়ার ডটকম । 

 

এই সাইট ২টিতে  প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষ নানান ধরনের কোর্স করছে ।  আপনিও কোন বিষয় সম্পর্কে কোর্স করতে চাইলে এই সাইটগুলো অনুসরণ করতে পারেন । অনলাইনে কোর্স এই আইডিয়াটিও একটি নতুন ব্যবসার আইডিয়া হিসেবে গড়ে উঠেছে ।

 

১১/ টি শার্ট প্রিন্টিং ব্যবসা

 

আমরা বাঙালিরা দিনদিন আমাদের সংস্কৃতি হারিয়ে ফেলছে ।  আমাদের সংস্কৃতিক পোশাক লুঙ্গি ও শাড়ি দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে । বাংলাদেশের বিশাল সংখ্যক তরুণ তরুণী বর্তমানে প্যান্ট ও  টি-শার্ট পোশাকটি অধিক পরিধান করে থাকে ।

 

বাংলাদেশ একটি নাতিশীতোষ্ণ দেশ হওয়ার কারণে গরমকালে এ দেশে প্রচুর গরম পড়ে থাকে ।  এবং টি-শার্ট গরমের দিনে খুবই আরামদায়ক একটি পোশাক । তাই বাংলাদেশের তরুণদের মাঝে টি-শার্টে প্রচুর চাহিদা লক্ষ্য করা যায় ।

 

এছাড়াও বিভিন্ন ধরনের স্কুল ,কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে প্রতিবছর নানান ধরনের বিদায় অনুষ্ঠান হয়ে থাকে এবং সে অনুষ্ঠানগুলোতে শিক্ষার্থীরা প্রচুর টি-শার্ট প্রিন্টিং করে থাকে ।  

 

তাই আপনি একটি টি শার্ট প্রিন্টিং মেশিন ও বিভিন্ন এক কালারের টি-শার্ট ক্রয় করে সেখানে নানান ধরনের আকর্ষণীয় লেখা ও ছবি প্রিন্টিং করে টি শার্ট তৈরি করতে পারেন । এবং পরবর্তীতে আপনি তা অনলাইন ও অফলাইনে বিক্রি করতে পারবেন ।

 

টি-শার্টের ব্যবসাটি পুরাতন হলেও টি-শার্ট প্রিন্টিং ব্যবসাটি একটি নতুন ব্যবসার আইডিয়া ( New business ideas ) হিসেবে গড়ে উঠেছে । বিশেষ করে বর্তমানে অনলাইনে এই ব্যবসার প্রচুর বিজ্ঞাপন ও প্রচারণা লক্ষ করা যায় ।

 

১২/ খাবারের গাড়ি 

 

বর্তমানে মানুষ চাকরি ও ব্যবসা নিয়ে এত ব্যস্ত যে বাসায় রান্না করে চাকরিতে নিয়ে আসা সম্ভব হয় না । তাই আপনি চাইলে খাবারের গাড়ি দিয়ে একটি নতুন ব্যবসার আইডিয়া গড়ে তুলতে  পারেন ।

 

একটি ফুড ট্রাক ভাড়া করে সেখানে বিভিন্ন ধরনের  ফাস্টফুড থেকে শুরু করে দুপুরের সুস্বাদু লাঞ্চ তৈরি করে বিক্রি করতে পারেন ।

 

তবে এই ব্যবসাটি শুরু করার ক্ষেত্রে কিছুটা জটিলতার সম্মুখীন হতে হবে ।  ব্যবসা শুরুর জন্য আপনার সিটি কর্পোরেশন থেকে রোড পারমিশন ও ট্রেড লাইসেন্স এর প্রয়োজন হবে ।  

 

তবে শুরুর ঝামেলাটি উত্তীর্ণ করে যেতে পারলে পরবর্তীতে কোন প্রতিযোগিতার ছাড়া একাই ব্যবসা করে যেতে পারবেন ।

 

খুবই অল্প টাকায় এই ধরনের খাবারের গাড়ির ব্যবসা শুরু করা যেতে পারে । এটিও একটি বর্তমানে নতুন ব্যবসার আইডিয়া হিসেবে তৈরি হয়েছে ।

 

১৩/ এফিলেয়েট মার্কেটিং নতুন ব্যবসার আইডিয়া

 

অনলাইনের মাধ্যমে ব্যবসা করার আরও একটি জনপ্রিয় উপায় হলো অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং বিজনেস । এফিলিয়েট মার্কেটিং বলতে বুঝায় অন্য কোন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের পণ্য ও সেবা সামগ্রী প্রমোট করার মাধ্যমে বিক্রি করা ও সে পণ্য – সেবা থেকে লভ্যাংশ অর্জন করাকেই আফিলিয়েট মারকেটিং বলে ।

 

অর্থাৎ আপনি অনলাইনে বিভিন্ন উপায় অবলম্বন করে অন্যের পণ্য ও সেবা বিক্রি করে দিবেন এবং বিপরীতে কমিশন লাভ করে থাকবেন একই এফিলেয়েট মার্কেটিং বলে । 

 

ইতিমধ্যে অনলাইনে এই নতুন ব্যবসার আইডিয়াটি প্রচুর জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ।  বিশেষ করে অ্যামাজন অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং ( Amazon Affiliate Marketing ) পুরো বিশ্বে এখন একটি ট্রেন্ডিং বিজনেস আইডিয়া হয়ে উঠেছে ।  

 

এর কারণ হচ্ছে অনলাইনে প্রায় সকল জনপ্রিয় ব্র্যান্ড প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের পণ্যগুলো অ্যাফিলিয়েট করার সুযোগ দিয়ে যাচ্ছে ।

 

তাই সহজেই তাদের পণ্যগুলো বিক্রি করা যায় এবং কমিশন অর্জন করতে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটারদের অতিরিক্ত কষ্ট করতে হয়না ।

 

 তবে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং করতে হলে আপনার যেসব জিনিস প্রয়োজন হবে তা হল :

 

  •  একটি ওয়েবসাইট এর প্রয়োজন হবে
  •  ইন্টারনেটযুক্ত একটি কম্পিউটার এর প্রয়োজন হবে

 অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে এই আর্টিকেলটি পড়ুন

 

১৪/ টিউশন ও ট্রেনিং সেন্টার 

 

টিউশনি ও ট্রেনিং ব্যবসা কোন নতুন ব্যবসার আইডিয়া নয় ।  তারপরও এটিকে আপনি কিছু  সৃজনশীলতা খাটিয়ে নতুন ব্যবসায় পরিণত করে ফেলতে পারেন ।  আপনি যদি নির্দিষ্ট কোন বিষয় সম্পর্কে দক্ষ হয়ে থাকেন তার সম্পর্কে টিউশন ও ট্রেনিং দিয়ে এই ব্যবসা গড়ে তুলতে পারবেন ।

 

এছাড়াও আপনি একটি রুম ভাড়া করে সেখানে একজন দক্ষ শিক্ষক বা ট্রেইনার নিয়োগ দিয়ে ট্রেনিং ব্যবসা শুরু করতে পারেন । বর্তমানে বাংলাদেশে শিক্ষা ব্যবসাটি খুবই লাভজনক একটি ব্যবসা ।  যদিও শিক্ষাকে নিয়ে ব্যবসা করার কথাটা ভালো দেখায় না । তারপরও ব্যবসায়ী হিসেবে চিন্তা করলে এটি একটি লাভজনক ব্যবসার আইডিয়া ।

 

বর্তমানে তরুণ-তরুণীদের মাঝে কম্পিউটার ও ইংরেজি ভাষা শিক্ষার প্রচুর আগ্রহ দেখা যায় ।  তাই আপনি কম্পিউটার ও ইংরেজি ভাষায় দক্ষ এই ধরনের শিক্ষক নিয়োগ দিয়ে একটি ট্রেনিং সেন্টার এর ব্যবসা গড়ে তুলতে পারেন ।

 

যোগাযোগে সহজ হয় এমন স্থানে এই ধরনের ব্যবসা গড়ে তুলতে পারলে দ্রুতই শিক্ষার্থী পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে ।  এই ব্যবসা প্রচারণার জন্য আপনি  লিফলেট, ব্যানার, পোস্টার ও অনলাইনের মাধ্যমে প্রচারণা করতে পারেন ।

 

দক্ষ শিক্ষক ও ট্রেইনার দিয়ে ট্রেনিং সেন্টার পরিচালনা করতে পারলে দ্রুতই এর নাম ছড়িয়ে পড়বে । শিক্ষার্থীরাই ট্রেনিং সেন্টারে অটোমেটিক মার্কেটিং করে থাকবে ।

 

যেমন আমাকে যদি বলা হয় ইংরেজি শেখার জন্য বাংলাদেশের অন্যতম সেরা একটি ইনস্টিটিউট এর নাম বলতে তাহলে আমি নিঃসন্দেহে বলবো এফএমমেথড ( FM Method ) বাংলাদেশের অন্যতম সেরা একটি ইংরেজী শিক্ষার ইনস্টিটিউট ।  

 

এর কারণ হচ্ছে এফএমমেথডে আমি নিজে কোর্স করে লাভবান হয়েছি এবং তিন মাসের কোর্স করে ইংরেজি ভাষার উপর নিজেকে দক্ষ করে তুলতে পেরেছি ।

 

তাই দক্ষতা ও আন্তরিকতার সহিত এই ধরনের ট্রেনিং সেন্টার পরিচালনা করতে পারলে দ্রুত একটি লাভজনক ব্যবসা করে তোলা সম্ভব ।

 

১৫/ কাগজের চা-কফির কাপ ও প্লেট তৈরীর ব্যবসা

 

কাগজের চা কফির কাপ প্লেট তৈরি ব্যবসা ও একটি নতুন ব্যবসার আইডিয়া ।  এবং এই ব্যবসাটিও অত্যন্ত লাভজনক একটি ব্যবসা । কাগজের কাপগুলো পচনশীল হওয়ার কারণে এটি মাটির ক্ষতি করতে পারে না ।

 

যার ফলে ব্যবসায়ীদের নিকট অধিক পছন্দনীয় ।  এবং সরকার পলিথিন এর বিরুদ্ধে দিন দিন কঠোর নিয়ম করছে ।  বিভিন্ন পরিবেশ নিয়ন্ত্রণ সংস্থাগুলোও পলিথিন এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াচ্ছে ।   যার ফলে কাগজের চা কফির কাপ ও প্লেট এর চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে ।

 

তাই আপনি কাগজের চা কফির কাপ ও প্লেট তৈরির নতুন ব্যবসার আইডিয়াটিকে কাজে লাগিয়ে একটি লাভজনক ব্যবসা গড়ে তুলতে পারেন ।  ইতিমধ্যে বাংলাদেশের একজন তরুণ উদ্যোক্তা এই কাগজের চা-কফির কাপ ও প্লেট তৈরি করে কোটিপতি বনে গিয়েছেন ।  

 

এটি একটি ইউনিক ব্যবসার আইডিয়া তাই আপনি কোন প্রতিযোগিতা ছাড়াই একাই এই ব্যবসাটি করে যেতে পারবেন । 

 

পরিশেষে – Conclusions 

 

বন্ধুরা আজকের এই আর্টিকেলে আপনাদের সাথে প্রায় ১৫টি লাভজনক নতুন ব্যবসার আইডিয়া নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করার চেষ্টা করা হয়েছে । আজকের এই আর্টিকেলটি আপনাদের কাছে ভালো লাগলে তা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে শেয়ার করতে পারেন । এবং নিচে কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করে জানাতে পারেন আপনাদের মূল্যবান মতামত  

 

কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর ।

 

কয়েকটি নতুন ব্যবসার আইডিয়া ২০২২

১/ ব্লগিং ব্যবসা
২/ রিয়েল এস্টেট ক্রাউডফান্ডিং বিজনেস
৩/ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ব্যবসা
৪/অনলাইন কনসালটেন্সি 
৫/ইউটিউব চ্যানেল
৬/মাস্ক তৈরীর ব্যবসা
৭/জিমনেশিয়ামের ব্যবসা
৮/ক্যাফে-কফি শপের ব্যবসা
৯/অনলাইন কোর্স বিক্রি
১০/টি-শার্ট প্রিন্টিং ব্যবসা
১১/খাবারের গাড়ি
১২/এফিলিয়েট মার্কেটিং
১৩/টিউশনি ও ট্রেনিং সেন্টার
১৪/কনটেন্ট রাইটিং ব্যবসা

কেন নতুন ব্যবসার আইডিয়া নিয়ে ব্যবসা করা উচিত ?

নতুন ব্যবসার আইডিয়াকে কাজে লাগিয়ে ব্যবসা শুরু করলে সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে তা সম্পর্কে মানুষের ধারণা কম থাকে এবং যার ফলে বিনা প্রতিযোগীয় একাই ব্যবসা করে যাওয়া যায় ।

ব্লগিং ব্যবসা শুরু করতে কত টাকা প্রয়োজন ?

একটি ব্লগিং বিজনেস শুরু করতে প্রয়োজন একটি ইন্টারনেটযুক্ত কম্পিউটার ও একটি ব্লগ ওয়েবসাইট । সব মিলিয়ে ৬০-৭০ হাজার টাকা হলেই আপনি ইন্টারনেট,কম্পিউটার থেকে শুরু করে একটি ওয়েবসাইট তৈরী করে নিতে পারবেন ।

কয়েকটি বাংলা ও ইংরেজী অনলাইন কোর্স ওয়েবসাইট ।

আপনি যদি বাংলায় কোর্স তৈরী করে বিক্রি করতে চান সেক্ষেত্রে 10minuteschool এবং instructory.net এই দুটি সাইটে কোর্স বিক্রি করতে পারবেন । আর আপনি ইংরেজীতে কোর্স তৈরী করে বিক্রি করতে চাইলে udemy.com , skillshare.com এই সাইটগুলোতে বিক্রি করতে পারবেন ।

Leave a Comment